বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পোষ্য কোটা নামে অবৈধ সুবিধা বাতিল করতে বলেন। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা নামে পোষ্য কোটা দেওয়া হচ্ছে তা অযৌক্তিক।
নতুন করে এ ইস্যু সামনে নিয়ে এসে রাকসু নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র। তফসিল অনুযায়ী ২৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন না হলে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিতভাবে পাঠানো এক বিবৃতিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালসহ ৩ দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। গতকাল ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবিগুলো মেনে না নিলে ২১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ রাকসু নির্বাচনের চার দিন আগে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিকেলে ভর্তি উপকমিটির সাথে সভা করেন তারা। সভায় উপ-উপাচার্যের সভাপতিত্বে শর্তসাপেক্ষে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা হিসেবে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।





