রাকসু নিয়ে সম্ভাবনা ও সংকট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তাসিন বলেন, ‘রাকসু আসলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন যেভাবে শিক্ষার্থীদের মতামত উপেক্ষা করে লেজুড়বৃত্তিক সংগঠনগুলোর দাবির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা হতাশাজনক। বারবার তফসিল পরিবর্তন এবং নির্বাচনের তারিখ পেছানো শিক্ষার্থীদের মনে শঙ্কা তৈরি করেছে।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। নারী প্রার্থী হিসেবে বিষয়টা আমার জন্য আরও ভয়াবহ হতে পারে। সাইবার বুলিং ও নিরাপত্তা নিয়ে এখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। শুধু প্রার্থী নয়, ভোটাররাও অনিশ্চয়তায় আছে।’
জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে তাসিন বলেন, ‘আমার কাজ, ইশতেহার আর কর্মকাণ্ড দেখে যদি শিক্ষার্থীরা আমাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে তারা নির্বাচিত করবেন। তবে নির্বাচিত হই বা না হই, উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাব।’
আরও পড়ুন:
নারী প্রার্থী হওয়ার কারণে প্রতিবন্ধকতা প্রসঙ্গে তাসিন বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা মেয়ে। কোনো সংগঠনের সাপোর্ট, বড় ফান্ডিং বা কর্মী বাহিনী নেই। নারী হওয়ায় বুলিং ও হ্যারাসমেন্টের শঙ্কা বেশি। তবে সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
রাকসু প্রতিষ্ঠার (১৯৬২) পর থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ১৪টি নির্বাচনে কোনো নারী প্রার্থী বা নির্বাচিত ভিপি ছিলেন না। ৩৫ বছর পর আসন্ন নির্বাচনে তাসিন খানই প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী। এছাড়া ছাত্রী হল থেকে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী শীর্ষ পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ চলবে। ১ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল, ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর বাছাই, ৮ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ৯ সেপ্টেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি এবং ১১ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর ২৫ সেপ্টেম্বর হবে রাকসু নির্বাচন।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



