সাইলেন্ট এক্সপেল ও সাধারণ বহিষ্কারের পার্থক্য (Difference at a Glance)
বৈশিষ্ট্য (Features) সাধারণ বহিষ্কার (General Expel) নীরব বহিষ্কার (Silent Expel) তাৎক্ষণিক প্রভাব পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষ করতে দেওয়া হয়। চিহ্নিতকরণ সরাসরি জানানো হয়। খাতায় ‘রিপোর্টেড’ লেখা হয়। পরবর্তী পরীক্ষা অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ হতে পারে। অংশগ্রহণের অনুমতি থাকে।
আরও পড়ুন:
সাইলেন্ট এক্সপেল বা নীরব বহিষ্কার কী? (What is Silent Expel?)
পরীক্ষার হলে কোনো শিক্ষার্থী সরাসরি নকল বা অসদুপায় অবলম্বনে ধরা না পড়লেও যদি বারবার নিয়ম ভঙ্গ করে। যেমন অন্যের খাতা দেখে লেখা বা কথা বলা,তবে কক্ষ পরিদর্শক তাকে ‘নীরব বহিষ্কার’ করতে পারেন। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থী তৎক্ষণাৎ বুঝতে না পারলেও তার উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
এটি কীভাবে কার্যকর করা হয়? (How does it work?)
নির্দেশনা অনুযায়ী, নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের (Creative Answer Script) কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়েই পরিদর্শকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের গোপনীয় ফরমে তথ্য জমা দিতে হবে। উত্তরপত্রের প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দিয়ে স্পষ্টাক্ষরে ‘রিপোর্টেড’ (Reported) লিখে আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে।
পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ (Participation in Next Exams)
সাইলেন্ট এক্সপেল হওয়া পরীক্ষার্থীকে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে তার প্রতিটি পরীক্ষার খাতা একই পদ্ধতিতে ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে আলাদা প্যাকেটে জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত ফলাফলের সময় বোর্ড কর্তৃপক্ষ তার অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
আরও পড়ুন:
বিবরণ
তথ্য
এসএসসি শুরুর তারিখ
২১ এপ্রিল, ২০২৬
খাতায় বিশেষ মার্কিং
লাল কালিতে 'রিপোর্টেড' (Reported)
নীতিমালার নাম
পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৬
এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনাসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২৬ (‘সাইলেন্ট এক্সপেল’)



