মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটছে। অফিস চলাকালীন সময় ও অফিস শেষে বাড়ি ফেরার পথে কর্মকর্তাদের ওপর হামলা, হয়রানি ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এসময় মব সৃষ্টি করে কর্মকর্তাদের শারীরিকভাবে আঘাত করা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে কর্মস্থলকে অনিরাপদ করে তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। এর ফলে শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও জানান তারা।
আরও পড়ুন:
তারা অভিযোগ জানিয়ে বলেন, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় দোষীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের এই নীরবতাকে অফিসার সমিতি তীব্রভাবে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সভাপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আল-আমিন বিদ্যুৎ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মানিক এবং সদস্য রোকসানা বেগম টুকটুকি প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, যার অংশ হিসেবেই এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় এবং আগামীকাল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করবেন তারা।





