আজ (শনিবার, ১৮ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্য সমন্বয়ের কথা জানানো হয়। বর্ধিত এ মূল্য আগামীকাল (রোববার, ১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডিজেলের পূর্বের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৫ টাকা লিটার। এছাড়া অকটেন ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা লিটার, পেট্রোল ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে কেরোসিন ১৩০ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এ দাম কার্যকর হওয়ার ফলে রোববার থেকে দেশের সকল ফিলিং স্টেশন ও পরিবেশক পর্যায়ে নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করতে হবে।
গত ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমানে সরকার জ্বালানিতে ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। তবে এপ্রিল মাসে দাম না বাড়লেও, পরবর্তীতে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
তিনি জানান, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত করতে একটি ডিজিটাল অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কে কতটুকু জ্বালানি নিচ্ছে বা পাচ্ছে, সেই তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। আজ থেকেই এর পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে যাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এ বাস্তবতায় সবাইকে কিছুটা ছাড় দিয়ে চলতে হবে।’
এদিকে গত ৩১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক অফিস আদেশে বলা হয়েছিল, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম এপ্রিলে প্রতি লিটার ১০০ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১১২, পেট্রোলের দাম প্রতি লিটার ১১৬ ও অকটেনের দাম ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এ দামে বিক্রি হয়েছে জ্বালানি তেল। এর আগে জানুয়ারিতে প্রতি লিটারে ২ টাকা ও ফেব্রুয়ারিতে আরও ২ টাকা করে কমানো হয়েছিল জ্বালানি তেলের দাম।
