ক্রিপ্টো
অর্থনীতি
চাঁদে যাচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন!
বড়দিনে চাঁদে পাঠানো হবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন। শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি, বিটকয়েনের পাশাপাশি বড়দিনের উপহার হিসেবে চাঁদে পাঠানো হচ্ছে ১৫টি জিনিস।

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ক্রিসমাস বা বড়দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গির্জায় গির্জায় চলছে সাজসজ্জা। বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থানে শোভা পাচ্ছে বর্ণিল রূপে সাজানো 'ক্রিসমাস ট্রি'।

তবে এবারের বড়দিন সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিজ্ঞানীদের জন্য। কারণ, চাঁদে প্রথমবার পাঠানো হচ্ছে কোন আর্থিক মুদ্রা। বড়দিনের উপহার হিসেবে বিভিন্ন গবেষণাযন্ত্রের পাশাপাশি নানা উপহার পাঠাবে সাতটি দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

যার নেতৃত্ব দিচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এমন খবরে রাতারাতি বেড়ে গেছে ডিজিটাল ক্রিপ্টোকারেন্সির দর। ক্রিপ্টো সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বাভাস, আগামী বছর প্রতিটি কয়েনের দাম ছাড়াতে পারে লাখ টাকা।

নাসার বেসরকারি বাণিজ্যিক মহাকাশযান কার্যক্রম 'কমার্শিয়াল লুনার পেলোড সার্ভিসেসের আওতায় পরিচালিত হবে এই অভিযান। বিভিন্ন যন্ত্র ও বড়দিনের উপহার নিয়ে আগামী ২৪ ডিসেম্বর চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে মহাকাশযান পেরিগ্রিন লুনার ল্যান্ডার।

চাঁদের বে অব স্টিকিনেস নামে পরিচিত প্রাচীন লাভাপ্রবাহের একটি অঞ্চলে নামবে রকেটটি। এরমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে রকেট উৎক্ষেপণের সব প্রস্তুতি। নতুন এ উদ্যোগের মাধ্যমে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রোবায়োটিক প্রযুক্তিতে তৈরি রকেটের মাধ্যমে এই প্রথম চাঁদে পণ্য পাঠাচ্ছে।

চাঁদে পাঠানো উপহারের মধ্যে রয়েছে, পেরিগ্রিন আয়ন ট্র্যাপ ম্যাস নামের একটি স্পেকট্রোমিটার। যেটি চাঁদের চারপাশে থাকা পাতলা গ্যাসীয় পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করবে। যার মাধ্যমে জানা যাবে চাঁদের পৃষ্ঠের নিউট্রনের পরিমাণ।

অভিযানে আরও পাঠানো হচ্ছে লুনার রেট্রোরেফ্লেক্টর অ্যারে, নিয়ার-ইনফ্রারেড ভোলাটাইলস স্পেকট্রোমিটার সিস্টেম এবং লিনিয়ার এনার্জি ট্রান্সফার স্পেকট্রোমিটার নামের যন্ত্র। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে চাঁদের গঠন, সূক্ষ্মতা পরিমাপ ও তাপীয় পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।

ভারী যন্ত্রপাতি ছাড়াও চাঁদে আরও ১৫টি জিনিস পাঠাচ্ছে নাসা। জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টারের এম-৪১ রেডিয়েশন ডিটেক্টরের মতো বৈজ্ঞানিক যন্ত্রও যাচ্ছে চাঁদে। রয়েছে ৮০ হাজার শিশুর বার্তা এবং ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন।

সবকিছু ঠিক থাকলে ২৪ ডিসেম্বর পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণের পর ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি রকেটটি চাঁদে অবতরণ করবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

এমএসআরএস
আরও পড়ুন: