
হামে আক্রান্ত রোগীদের পাশে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বান্দরবানে হামে আক্রান্ত রোগীদের মাঝে নগদ অর্থ ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করেছে বান্দরবান জেলা বিএনপি। আজ (শনিবার, ১ আগস্ট) দুপুরে বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে এই সহায়তা তুলে দেয়া হয়।

বান্দরবানে পাহাড়ি খাদ থেকে ২ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
বান্দরবানের রুমা বগালেক ভিউ পয়েন্ট এলাকার পাহাড়ি খাদ থেকে মো. জামির উদ্দিন (৩২) ও রোকাইয়া আক্তার (৩০) নামে দুই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বন্যার পানি নামলেও বান্দরবানে সড়ক যোগাযোগে ভয়াবহ বিপর্যয়
ভয়াবহ বন্যার পানি নেমে গেলেও বান্দরবানে রয়ে গেছে ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন। টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে গেছে। কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত, কোথাও ধসে পড়েছে পুরো সড়ক। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দুর্গম এলাকার বাসিন্দারা। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারে প্রয়োজন শত কোটি টাকার বেশি।

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলছে বৃহস্পতিবার
সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সার্বিক পরিবেশ স্বাভাবিক হওয়ায় আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই) থেকে বান্দরবান জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বান্দরবানে বন্যায় ২১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সড়ক, কালভার্ট, সেতু, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও স্যানিটেশন অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ৪০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করেছে।

সরকারি হলো বান্দরবানের তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়
বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার তিন্দু নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারি করেছে সরকার। বিদ্যালয়টি এখন থেকে ‘তিন্দু সরকারি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচালিত হবে।

বান্দরবানে ১৫ জুলাই পর্যন্ত সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা
টানা ভারী বর্ষণ ও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি বিবেচনায় বান্দরবান পার্বত্য জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী ১৫ জুলাই (বুধবার) পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

টানা বর্ষণ-পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত বান্দরবানের জনজীবন, স্থবির পর্যটন শিল্প
টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত বান্দরবানের জনজীবন। সেই সাথে স্থবির হয়ে পড়েছে পর্যটন শিল্প। দুর্গম এলাকায় নৌ চলাচল বিপদজনক হওয়ায় পর্যটকদের জানমাল রক্ষায় আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র। বান্দরবান ছাড়তে শুরু করেছে পর্যটকরা এবং অনেকে বাতিল করেছে আগাম বুকিং।

বন্যা-পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত বান্দরবান-কক্সবাজার, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজারের চকোরিয়ায় পাহাড়ধসে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বন্যা কবলিত কয়েক জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ জনের বেশি। এদিকে প্রবল বৃষ্টিতে বান্দরবান, কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যায় পানিবন্দি লাখ লাখ বাসিন্দা। যোগাযোগ সমস্যায় অনেক জায়গায় ত্রাণ বিতরণ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক।

বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ বাড়লো ১২ জুলাই পর্যন্ত
বান্দরবান পার্বত্য জেলায় অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী ১২ জুলাই (রোববার) পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা বিবেচনা করে আজ (বুধবার, ৮ জুলাই) বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সানিউল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।