পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপ করে আসামি ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৫

গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন
গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন | ছবি: সংগৃহীত
0

গাজীপুরের টঙ্গীতে পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের পর পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় মাসুদ নামে এক পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ আহতের ঘটনায় এসআই হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

আজ (সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকছুদুল আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল (রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পুলিশের পর ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তাররা হলেন— আবুল হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল (৩০), মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২৪), আহাম্মদ আলীর ছেলে নাইম মিয়া (২৮), আনিছুর রহমানের ছেলে সোহাগ (৩০) ও আব্দুল বারেকের ছেলে আদর আলী (২১)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কেরানীরটেক মাদক বস্তি থেকে কুখ্যাত মাদক সম্রাজী রানী বেগমের ছেলে মাদকসহ পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:

এরপর টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে নিয়ে আসার সময় মাদককারবারিরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা রেললাইনের পাথর কুঁড়িয়ে পুলিশের ওপর এলোপাথাড়ি নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ আহত হন। এই সুযোগে গ্রেপ্তারকৃত আসামি রাহুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় মাদককারবারিরা।

ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ এসে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেরানিরটেক এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানায়, ঘটনার কিছুক্ষণ পর ছিনিয়ে নেয়া আসামি রাহুলের নানা যুবদল নেতা খালেক ও মরকুন পশ্চিম পাড়ার মাদক ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়ার মধ্যস্ততায় হাতকড়াটি টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দিয়ে যায়। যদিও পুলিশের দাবি, হাতকড়াসহ আসামি পালায়নি।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মাকছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘পাঁচটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি রাহুলকে গ্রেপ্তারের পর নিয়ে আসার সময় সন্ত্রাসীরা পাথর ছুঁড়ে আসামি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পাথরের আঘাতে কনস্টেবল মাসুদ আহত হয়। এই ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলমান আছে।’

এসএস