নূর-এ-আলম উচাখিলা এলাকার ফজলুল হকের ছেলে। একই অভিযানে শ্যামল চন্দ্র সাহা নামের আরেক ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জানা যায়, নূর-এ-আলমের তিনটি গোডাউনে ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার মজুত পাওয়া যায়। এর মধ্যে ইউরিয়া ৩৯১ বস্তা, ডিএপি ১৬০ বস্তা ও এমওপি ৮৫ বস্তা। প্রতিটি বস্তায় ৫০ কেজি হিসেবে মোট সারের পরিমাণ ৬৩৬ বস্তা বা ৩১ দশমিক ৮ টন।
নূর-এ-আলমের খুচরা সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তার প্রতিষ্ঠানে বিক্রির ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি মজুতের হিসাব সংবলিত রেজিস্টারও সংরক্ষণ করা হয়নি। এসব অনিয়মের কারণে সার (ব্যবস্থাপনা) আইন, ২০০৬-এর ১২ ধারায় তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। জরিমানার অর্থ ঘটনাস্থলেই আদায় করা হয়েছে। অভিযানে আরেক ব্যবসায়ী শ্যামল চন্দ্র সাহাকেও একই আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, নূর-এ-আলমের দোকানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছিল। জব্দ করা ৬৩৬ বস্তা সার স্থানীয় সার ডিলার শামসুল হকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এসব সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
ইউএনও সানজিদা রহমান বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সার অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাদের বিধি মোতাবেক কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। যাতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে। জব্দ করা সার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।’





