আজ (সোমবার, ২০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুমাইয়ার বাড়ির একটি ওয়ারড্রবের নিচ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ফারজানা একই এলাকার এনামুল হকের মেয়ে এবং ৬৯ নম্বর কাজলা-কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ৮টার দিকে ফারজানা স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। তবে দুপুর পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সে সেদিন স্কুলে পৌঁছায়নি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে কাশিবাটি গ্রামের সুমাইয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার ঘরের ওয়ারড্রবের নিচ থেকে শিশুটির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আটক সুমাইয়াকে ছিনিয়ে নেয় এবং গণপিটুনি দেয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আটক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আমিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছি।
তিনি আরও জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য পুলিশ সুপারের কাছে ফোর্স চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।





