এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামি হৃদয় জেলার কসবা উপজেলার নিমবাড়ি এলাকার মুজিবুর মিয়ার ছেলে।
আরও পড়ুন:
কারাগার সূত্রে জানা যায়, কসবা থানার একটি হত্যা মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন হাজতের পরোয়ানা মূলে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর জেলা কারাগারে যান হৃদয়।
পরবর্তীতে গত ২৯ জানুয়ারি দুপুরে জামিনে কারামুক্ত অন্য একটি মামলার আসামি দিদার হোসেনের নাম ঠিকানা ব্যবহার করে জামিনপ্রাপ্ত বন্দিদের মুক্তি দেয়ার সময় পালিয়ে যান হৃদয়। এ ঘটনায় এরইমধ্যে কারাগারের দায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শোকজ করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি করে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া জেলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।





