হাওরের মাঠ থেকে তোলা শত শত মিষ্টি কুমড়া বস্তাভর্তি করে ট্রাকে তোলা হয়। তারপর এসব মিষ্টি কুমড়া পৌঁছে যায় দেশের নানা প্রান্তে। জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় ৫০০ হেক্টরের বেশি জমিতে এবার মিষ্টি কুমড়ার আবাদ হয়েছে।
এখানকার কুমড়া রাজধানী ঢাকা ছাড়াও রংপুর, বগুড়া, যশোর, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। গত বছর কেজি প্রতি ৮ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হলেও এ বছর বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। গত কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর ভালো দাম পাওয়ার কথা জানান কৃষক।
আরও পড়ুন:
চাষিরা বলছেন, চারা রোপণের পরপরই অতিবৃষ্টিতে অনেক চারা নষ্ট হয়ে গেছে, কমেছে উৎপাদন। যদিও উৎপাদন কমলেও বাড়তি দাম পাওয়ায় লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা তাদের। এ বছর ফলন কম হলেও দাম বেশি পাওয়ার কথা বললেন চাষিরা।
কৃষি বিভাগ বলছে, হাওরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিষমুক্ত সবজি চাষ ও মানসম্মত বীজ ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
নেত্রকোণা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আমাদের জায়গা থেকে বিষমুক্ত বীজ ও সবজি চাষে চাষীদের প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।’
চলতি বছর জেলায় মোট ৭৩৬ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৮০ কোটি টাকা।
