বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে নারী-পুরুষরা ভোট দিয়েছেন স্বাচ্ছন্দে। প্রচন্ড রোদে দাঁড়িয়েও নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তারা।
এবার বিভাগের ২১ আসনের ১৮টিতে বিএনপি ও জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছে। এর মধ্যে জেলার এবং ঝালকাঠি সবগুলো আসনে জয় পেয়েছে দলটি। ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও পিরোজপুরে বেশিরভাগ আসন নিশ্চিত করেছে ধানের শীষ।
বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ও নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘এই এলাকার মানুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহামানের প্রতি একটা অনুগত্য ছিল এবং এ অঞ্চলটি মূলত বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা। তারা জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এবং সেজন্য এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই যে বিএনপির এখানে ল্যান্ড মার্ক বিজয় হয়েছে বরং সবগুলো আসন কেন পেল না সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। মানুষ যখন ভোটের সুযোগ পেয়েছে, তখন তারা তাদের সমর্থন ভোট দিয়ে সেটা প্রমাণ করে দিয়েছে।’
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের রূপরেখা বরিশালবাসীকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে। সে কারণেই এমন জয় বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মোহসিনা হোসাইন বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দূর্নীতি দমন, স্বাস্থ্যনীতি, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কার্যকর দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ এসব মিলিয়ে আমি মনে করি এই অঞ্চলের মানুষ যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, সেটা তারেক রহমানের মধ্যে দিয়ে অর্জন করতে আগ্রহী, এজন্য দলটির নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হয়েছে।’
বিগত সময়ে বরিশাল বিভাগে উন্নয়ন তুলনামূলক কম হয়েছে। সে কারণে ভোটারদের যথাযথ মূল্যায়ন করার দাবি স্থানীয়দের।
সুজনের সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, ‘আশা করি বিএনপি মানুষের প্রতাশ্যা পূরণ করার জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কৌশলগুলো নেবে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের সমস্যা ও সংকটগুলো কী সেগুলো চিহ্নিত করে এবং সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন তারেক রহমান এটাই এ অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা।’ বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনে ১৩১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।





