ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সংসদে সমস্যার সমাধান না হলে আজকের সাত দফা শেষ পর্যন্ত এক দফায় রূপান্তরিত হবে। সরকারকে আমরা সেইটুকু সময় দিতে চাই। আমরা সংসদে বসেই গণভোটের গণরায় ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্নসহ সাত দফা দাবির সমাধান করতে চাই। কিন্তু তা না হলে আবারও দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণবিপ্লবের ডাক দেয়া হবে। প্রয়োজনে সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের ডাক দিতে আমাদের বাধ্য করবেন না।’
পথসভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সাঈদ মোস্তাফিজ, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, এলডিপির বিল্লাল হোসেন নিয়াজী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চান এবং মুফতি শরাফত হোসেনসহ বিভিন্ন দলের নেতারা বক্তব্য দেন।
পথসভা শেষে জামায়াতের আমিরের নেতৃত্বে লংমার্চের গাড়িবহর ঝিনাইদহের উদ্দেশে যাত্রা করে। বহরটি যশোর শহরের মণিহার, বারান্দীপাড়া, শেখহাটি হাইকোর্ট মোড়, নতুন উপশহর, খাজুরা বাসস্ট্যান্ড, পালবাড়ি, চুড়ামনকাটি ও সাতমাইল হয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা অতিক্রম করে।
এসময় সড়কের দুই পাশে শত শত নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে লংমার্চের গাড়িবহরকে স্বাগত জানান।





