স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নিজেদের কোনো রূপরেখা বা গঠনমূলক কর্মপরিকল্পনা নেই। তারা জনগণের উন্নয়ন কিংবা পাশে থাকার কথা না বলে কেবল সরকার ও অন্যের অযৌক্তিক সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে।’
বিভক্তি ও অপপ্রচার সৃষ্টিকারী এসব অপরাজনীতিকে সামাজিকভাবে বর্জন ও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।
মাদক কারবারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এরই মধ্যে বহু অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো রাখতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ‘আগের দিনের সেই হট্টগোল আর নেতাদের পেছনে ঘুরে নেতা হওয়ার রাজনীতির কবর রচনা করা হয়েছে। রাজনীতি করতে হলে সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মন জয় করতে হবে।’
বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ‘সরকার দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো ও মানোন্নয়ন করা হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকরা সম্মানিত হলে এবং উন্নত প্রশিক্ষণ পেলে আমাদের সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। একইসঙ্গে মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যসেবার মান ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।’
বিরোধী ও সমালোচনাকারী রাজনৈতিক দলগুলোর কড়া সমালোচনা করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নিজেদের কোনো রূপরেখা বা গঠনমূলক কর্মপরিকল্পনা নেই। তারা জনগণের উন্নয়ন কিংবা পাশে থাকার কথা না বলে কেবল সরকার ও অন্যের অযৌক্তিক সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে।’
বিভক্তি ও অপপ্রচার সৃষ্টিকারী এসব অপরাজনীতিকে সামাজিকভাবে বর্জন ও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদী শাসন ব্যবস্থা ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের দ্রুত সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, দলীয় নেতৃবৃন্দ এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বন্যায় সনাতনী ইউনিয়নে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে মোট ১৪০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং নগদ অর্থ তুলে দেয়া হয়।





