খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেয়া। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় সে লক্ষ্যেই কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি, খাদ্যের মজুত ও সরবরাহব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়নি। ভবিষ্যতে যাতে দ্রুত যেকোনো সমস্যা সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পুষ্টিকর চাল উৎপাদনের প্রকল্প প্রসঙ্গে আফরোজা খানম বলেন, ‘প্রকল্পটি কবে উদ্বোধন বা চালু হবে, তা এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর চেষ্টা করা হবে।’
এর আগে, সকাল ১০টায় ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দামিলে পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টায় তিনি নারায়ণগঞ্জের সাইলোতে পৌঁছান। সেখানে সাইলো ও এর অভ্যন্তরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিল পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের কার্যক্রম ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি স্থাপনাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এসময় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, সাইলো অধীক্ষক রিয়াজুল আলমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





