প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আখড়াবাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় নাসিরুদ্দীনকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। পরে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক তাকে গালাগালি করে হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। পরে আখড়াবাড়ির প্রধান ফটকের সামনে থাকা তাদের গাড়িতে ইটপাটকেল ছুড়ে গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার পর নাসীরুদ্দীনকে নিরাপদ স্থানে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম হামলার ঘটনা নিশ্চিত করলেও গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি জানা নেই বলে জানান।
এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা সদস্যসচিব সুলতান মারুফ তালহা হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী বলেছেন, ‘হামলার সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মব-কালচারের রাজনীতিও তারা বিশ্বাস করেন না।’ এদিকে, হামলার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।





