এদিকে, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান। কামরুজ্জামান বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন গ্রামীণ ব্যাংকের পাশে তার শ্বশুর ইদ্রিস আলীর জমিতে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদ সড়কের পাশ দিয়ে প্রায় ৪০ বছর আগে মেহগনি গাছের চারা রোপণ করা হয়। একই সময়ে উপজেলা পরিষদ-বাসাইল পূর্বপাড়া সড়কের পাশ দিয়ে বেশ কিছু মেহগনি গাছের চারাও রোপণ করা হয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ইদ্রিস আলীর জমি ঘেঁষে সড়কের পাশে থাকা পুরোনো মেহগনি গাছটি ২৭ হাজার টাকায় বিক্রি করেন জামাতা স্কুলশিক্ষক কামরুজ্জামান।
পরে ওইদিন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী গাছটি কেটে দ্রুত সেখান থেকে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে গাছের গোড়া ভেতরে রেখে কামরুজ্জামান সড়ক ঘেঁষে টিনের বেড়া দিয়ে বাউন্ডারি তৈরি করেন। সরকারি গাছ কেটে বিক্রির ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত স্কুলশিক্ষক কামরুজ্জামান বলেন, ‘গাছটি আমার জমির মধ্যে রয়েছে। এজন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। ২৩ হাজার টাকায় গাছটি বিক্রি করেছি।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ বলেন, ‘এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে পরিষদের গাছগুলো বিক্রি করা হয়। গাছ বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়।’





