ফ্যামিলি কার্ড-কৃষি কার্ড নিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে আমি বাদী হয়ে মামলা করবো: ডেপুটি স্পিকার

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল | ছবি: এখন টিভি
0

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমার নির্বাচনি ওয়াদা ছিলো ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কেউ যদি দুর্নীতি করে আমি আইনজীবী হিসেবে নিজে বাদী হয়ে মামলা করবো।

আজ (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) দুপুরে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমার নির্বাচনি প্রধান ওয়াদা ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে কেউ দুর্নীতি করলে আইনজীবী হিসেবে আমি নিজে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবো। আমি আমার দেয়া ওয়াদা রক্ষা করবো। তবে আমি চাই না এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক। আপনারা সবাই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করবেন।’

আরও পড়ুন:

সর্বনিম্ন স্তরের দরিদ্র মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়

তথ্য সংগ্রহকারীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘দল-মত, ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত হকদারদের খুঁজে বের করতে হবে। তালিকা করার কাজ শুরু করতে হবে একদম সর্বনিম্ন জায়গা থেকে ছাপড়া ঘর কিংবা যার ঘর নেই সেখান থেকে। আস্তে আস্তে ধাপে ধাপে ওপরে উঠবেন। দুর্গাপুরের একজন দরিদ্র মানুষও যেন এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়। সেই আমানত ও ঈমানী দায়িত্ব আপনাদের ওপর ন্যাস্ত।’

স্বচ্ছতা ও কঠোর আইনি ব্যবস্থার বার্তা

বিগত সময়ে তালিকার অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত দেড় দশকে সামাজিকভাবে নানা ব্যাধি আমাদের আঁকড়ে ধরেছে। দেখা গেছে সচ্ছল ও বিল্ডিংওয়ালারাও ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। আমরা সেই অনিয়ম থেকে বেরিয়ে এসে একটি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই।’

আরও পড়ুন:

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমি এখন অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ জানাচ্ছি। কিন্তু কোনো ধরনের অনিয়ম বা ঘুষের অভিযোগ উঠে এলে আর বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হবে না। সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মনে রাখবেন, আইনের হাত আমাদের সবার চেয়ে লম্বা।’

সভা থেকে জানানো হয়, দুর্গাপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোট ১০৭ জন কর্মী মাঠে কাজ করছেন। এর মধ্যে ৯৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১০ জন সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কাজে যেকোনো ধরনের জটিলতা বা পরামর্শের জন্য মাঠকর্মীদের সংশ্লিষ্ট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এসএস