আজ (রোববার, ৩০ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার চিমটিবিল সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ মিয়া চুনারুঘাট উপজেলার শফিক মিয়ার ছেলে।
হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি) জানায়, কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাচালানকৃত গরু আনার উদ্দেশ্যে শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে ভারতীয় চোরাকারবারি দলের সঙ্গে তাদের বিরোধ ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ভারতীয় চোরাকারবারিরা তাদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে। এতে সোহাগ মিয়া গুরুতর আহত হন।
পরে তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন এবং চুনারুঘাট সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগের মৃত্যু হয়।
বিজিবির আরও দাবি, নিহত যুবকের বাবা শরিফ মিয়াসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য এলাকায় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত। তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর চিমটিবিল বিওপির টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা নিজেদের এলাকায় গোলাগুলির বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানায়।
এ ঘটনায় রোববার জরুরি ভিত্তিতে বিওপি পর্যায়ে পতাকা বৈঠক (ফ্ল্যাগ মিটিং) আহ্বান করেছে বিজিবি। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তবে ঘটনাটি নিয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





