সদর উপজেলার নারায়ণপুর মাহমুদা মতিউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ মেডিকেল ক্যাম্পে দুই ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের প্রায় দুই হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নূরেবানু বলেন, ‘আমাদের বাড়ি পদ্মা নদীর একেবারে ধারে। সারাক্ষণ ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করতে হয়। কখন যে নদী ঘরবাড়ি, জমিজমা গিলে খাবে, সেই ভয় সবসময় থাকে। এখানে কোনো হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। কেউ অসুস্থ হলে নৌকায় করে অনেক দূরে হাসপাতালে যেতে হয়। জরুরি সময়ে রোগী নিয়ে যাওয়া খুবই কষ্টকর।’
তিনি বলেন, ‘অনেক সময় সময়মতো চিকিৎসাও পাওয়া যায় না। আজ বিজিবি এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধের ব্যবস্থা করায় আমরা খুব উপকৃত হয়েছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের চিকিৎসা ক্যাম্প নিয়মিত হলে সীমান্ত এলাকার মানুষের অনেক উপকার হবে।’
বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা নদীর ভাঙনে এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্র বিলীন হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সীমান্তবর্তী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে।
ক্যাম্পে আটজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেন। পাশাপাশি, সব রোগীকে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও বিতরণ করা হয়।
চিকিৎসা কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান এবং উপ-অধিনায়ক সাজ্জাদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।





