মেঘনার ভয়াবহ ভাঙনে দিশেহারা কয়েকটি ইউনিয়নের ২ লক্ষাধিক মানুষ। হুমকির মুখে ভোলা শহর রক্ষা বাঁধও। প্রায় ৫০০ একর ফসলি জমিসহ বিলীন হয়েছে শতাধিক পরিবারের বসতভিটা। ভেসে গেছে মাঠ-ঘাট, বাজার ও মসজিদ। কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় ঘেরাও করে তিন ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ।
এলাকাবাসীরা জানান, বিগত দিনে নদী ভাঙনের কবলে পড়ে অনেক সম্পত্তি হারাতে হয়েছে। আর পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে বলেন তারা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে- শিবপুর, মেদুয়াসহ ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ভাঙন রোধে সদরের ধনিয়া, কাচিয়া ও শিবপুর ইউনিয়নে ৬৮৫ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হচ্ছে।
ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দীন আরিফ বলেন, ‘৪ কিলোমিটার নদীতে সংরক্ষণ কাজ এবং ৬ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন কাজ অন্তর্ভুক্ত আছে। এ’ প্রকল্পটির প্রাক্কলনে প্রায়, প্রায় ৬৮৫ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ওখানে যে নদী ভাঙন চলমান অব্যাহত আছে, এ ভাঙনটা স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।’
মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে এক মাসে শিবপুর, মেদুয়া ও ধনিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন থামাতে কার্যকর ব্যবস্থার বাস্তবায়ন চান স্থানীয়রা।





