ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি শারীরিক অসুস্থতা ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যু সনদ অনুযায়ী, তিনি ‘হাইপারটেনসিভ ইমারজেন্সি উইথ ডিএম উইথ এসিএস’ রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং অ্যাকিউট করোনারি সিন্ড্রোমসহ (এসিএস) হাইপারটেনসিভ ইমারজেন্সির কারণে অপরিবর্তনীয় কার্ডিওরেস্পিরেটরি ফেইলিউর’।
ঘটনার বিষয়ে কোতোয়ালি থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পরে কোতোয়ালি থানার এসআই আতিকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





