নিহত বাবুল মিয়া বরদল পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত সোনাহর মিয়ার ছেলে। তিনি ধান ভাঙার মেশিনে কাজ করতেন। পুলিশ, স্থানীয় সূত্র ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০-২৫ দিন আগে ধান কাটার শ্রমের মজুরি বাবদ ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পাওনা ছিল একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের কাছে।
আজ সকালে বাবুল মিয়ার ছেলে মো. সিরাজুল ইসলাম পাশের একটি জমিতে শ্রমিক হিসেবে ধান কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় হাবিবুর রহমানের সঙ্গে দেখা হলে তিনি পাওনা টাকা চান। একপর্যায়ে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরবর্তীতে ছেলেকে মারধর করতে দেখে বাবুল মিয়া এগিয়ে গেলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ রয়েছে, টাকা চাওয়ায় হাবিবুর রহমানের সঙ্গে থাকা সাদ্দাম, মোস্তাকিম ও মোজাকিমসহ কয়েকজন মিলে সিরাজুল ইসলামকে মারধর শুরু করেন।
ছেলেকে মারধরের ঘটনা দেখে বাবুল মিয়া দৌড়ে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে দিয়ে উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারেন। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে কলমাকান্দা থানার ওসি আবুল হাসেম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। পারিবারিক বিরোধ ছিলো। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। মামালা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





