আইটি খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা জাগাতে ২০১৬ সালে প্রায় ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বর্ণি এলাকায় ১৬৩ একর জায়গা জুড়ে হাইটেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও বারবার সময় বাড়িয়ে কাজের অগ্রগতি হয় মাত্র ৩৬ শতাংশ।
এরইমধ্যে ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রকল্পটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর থেকে মুখ পড়ে আছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হওয়া প্রকল্পটি।
ইতোমধ্যে ১৩টি আইটি খাতের প্রতিষ্ঠান এখানে জমি বরাদ্দ নিয়ে কাজ শুরু করলেও প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় লোকসানের মুখে পড়েছে তারা। এছাড়া ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় অনেক আইটি উদ্যোক্তারা।
আরও পড়ুন:
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ফাহিম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘বিনিয়োগের জন্য প্রবাসীদের জন্য এবং যারা ফরেন ইনভেস্টর আছে তাদের জন্য একটা বিরাট অপরচুনিটি ছিল। বিভিন্ন ধরনের জটিলতার কারণে ওইভাবে ঐটা বিনিয়োগ বান্ধব হয়ে ওঠেনি।’
সিলেট বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সাবেক সভাপতি এস এম জি কিবরিয়া বলেন, ‘এটা তো ফেলে রাখা লাভ নাই কারণ মাটি ভরাট হয়ে গেছে। এই প্রজেক্টটা যদি চালু করা যায় তাইলে এই অঞ্চলের মানুষের বিশেষ করে সিলেট জেলার মানুষের উন্নয়ন ঘটবে।’
তবে বন্ধ পার্কটিকে এবার বিদেশগামী জনবলের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে চালু করার আশ্বাস মন্ত্রীর। বললেন, শত কোটি টাকার পরিত্যক্ত ভবনকে নতুন করে কাজে লাগাতে চান তারা ।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ লোক কর্মসংস্থানের জন্য যাবে। তো এখন যাওয়ার আগে তাদেরকে স্কিলড তৈরি করার জন্য তাদের ট্রেনিং সেন্টার দরকার। এখন আমি নতুন ট্রেনিং সেন্টার বানাইতে গেলে দুই বছর যাবে। তো এখানে পড়ে রইছে এইগুলা। আমরা চাচ্ছি এখানে আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে এদেরকে ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্সসহ স্কিল তৈরি করে এখান থেকে যাবে।’
ব্যবসায়ীরা বলছেন সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে এখানে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করবে। তাই একটি যৌক্তিক সমাধান টানতে পারলে শুধু সিলেট নয়, পুরো বাংলাদেশ এ থেকে থেকে লাভবান হবে মন্তব্য তাদের।




