পুলিশ জানিয়েছে, সন্ধ্যায় জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে কিশোরগঞ্জ শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।
জানা গেছে, মিঠামইন উপজেলার কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন রোধে বেড়িবাঁধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ ওঠে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলের পথ সুগম করতে গত ৫ আগস্টের পর থেকে ধাপে ধাপে এসব গাছ সাবাড় করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। সর্বশেষ গত ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০ থেকে ১২টি গাছ কাটা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়। গতকাল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
সেখানে বলা হয়, মিঠামইন উপজেলার কামালপুর এলাকায় নদীভাঙন প্রতিরোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ ব্যক্তিগত স্বার্থে কেটে ফেলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে। নিজ বাড়িতে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত সহজ করতে তিনি এ কাজ করেছেন, যা দলীয় নীতি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি।
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব স্থগিত থাকবে।
বিষয়টি নিয়ে গতকাল মিঠামইন উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক বলেন, ‘গাছ কাটার বিষয়ে মিঠামইন উপজেলা সদরের সরকারহাটি গ্রামের আঙ্গুর মিয়াসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
এ ঘটনার পরদিনই বহিষ্কৃত থানা সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করা করলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
