সরকারি কর্মকর্তারা কোনো পক্ষের হয়ে নির্বাচনি প্রচার করতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ | ছবি: সংগৃহীত
0

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তারা কোনো পক্ষের হয়ে নির্বাচনি প্রচার করতে পারবেন না। সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের কোনো পক্ষ অবলম্বন করে প্রচার প্রচারণার কোনো সুযোগ নেই। সরকারি কর্মচারীরা অবগত ও সচেতনতা বাড়াতে পারবে। কিন্তু ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের ব্যাপারে কোনো পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না।

আজ (শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসময়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ২১ নম্বর ধারাতে ক্যাটাগরিতে বলে দেয়া হয়েছে- সাধারণ নির্বাচনের জন্য যা যা কিছু ভায়েলেশন, গণভোটের ক্ষেত্রেও সেটা ভায়েলেশন। সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো পক্ষ অবলম্বন করে প্রচার-প্রচারণার সুযোগ নেই। এ বিষয়টি আমরা স্পষ্ট করে দিয়েছি।’

মো. সানাউল্লাহ আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম ও প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করা, দীর্ঘ খরার পর ইনশাল্লাহ আমরা সেই পথেই হাঁটছি এবং সেটাই হবে।’

আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ভোটের কোনো শতাংশ নির্ভর করে না। আমরা তো চাই মানুষ শতভাগ ভোটকেন্দ্রে আসুক। আমরা সহায়ক পরিবেশ তৈরি করছি এবং মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।’ 

মতবিনিময় সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কমিশনার ওয়াহিদুজ্জামান মুন্সীসহ জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন নির্বাচন কমিশনার।

এএম