জিআই স্বীকৃতি পেলো নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি

ছবিতে বালিশ মিষ্টি
ছবিতে বালিশ মিষ্টি | ছবি: সংগৃহীত
1

৫৭তম জিআই পণ্যের স্বীকৃতি সনদ পেয়েছে নেত্রকোণার ঐতিহ্যবাহী বালিশ মিষ্টি। বিশেষ আকৃতি আর সুনামের জন্য দেশব্যাপী পরিচিতি রয়েছে এ মিষ্টির। তবে নতুন করে জিআই সনদ এ মিষ্টির পরিচিতি আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন এর কারিগররা।

একটি মিষ্টির দাম এক হাজার টাকা! নেত্রকোণার প্রসিদ্ধ বালিশ মিষ্টির দাম শুনে হয়তো অবাক হবেন যে-কেউ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশেষ আকৃতির জন্য জনপ্রিয় এ মিষ্টান্নটি পেয়েছে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি।

গত বছরের ডিসেম্বরে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের হাতে এ সনদ তুলে দেয়। এর মধ্য দিয়ে দেশের ৫৭তম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্থান পায় ঐতিহ্যবাহী এ মিষ্টি।

নেত্রকোণার অজহর রোডের গয়ানাথ ঘোষের হাত ধরে বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি। এর পর থেকেই গয়ানাথ মিষ্টান্ন ভাণ্ডার পূর্বের ঐতিহ্য ধরে রেখে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রি করে আসছে। মাত্র ৩০ টাকা থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে এক হাজার টাকায় মিলছে একটি বালিশ মিষ্টি।

স্থানীয়রা জানান, তারা নিজেরা যেমন এ মিষ্টি উপভোগ করেন, তেমনই পরিবারের জন্যও নিয়ে যান তারা। সারা দেশেই এ মিষ্টি বেশ পরিচিত বলেও জানান তারা।

আরও পড়ুন:

এদিকে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি সনদ প্রাপ্তিতে আনন্দিত জেলাবাসী। তবে ঐতিহ্যের পাশাপাশি গুণগত মান ধরে রাখার দাবি জানান স্থানীয়রা।

জেলা প্রশাসক জানান, ঐতিহ্যবাহী এ মিষ্টির গুণগত মান বজায় রাখতে মনিটরিং করা হবে। এছাড়াও আরও পণ্য তালিকাভুক্ত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, ‘গত ডিসেম্বর মাসে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং আমরা এটার সনদ লাভ করেছি। এটার দুটা দিক রয়েছে, একটা ঐতিহ্যগত দিক আর একটা ব্যবসায়িক দিক। আর এ স্বীকৃতি নেত্রকোণাবাসীর জন্য আনন্দের।

উল্লেখ্য, বালিশ মিষ্টি ছাড়াও ২০২১ সালে নেত্রকোণার দুর্গাপুরের সাদামাটি পাহাড় জিআই পণ্যের স্বীকৃতি সনদ পায়।

জেআর