স্থানীয়রা জানান, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল কয়েকজন নারী কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ৯টার দিকে নির্বাচনি গণসংযোগে অংশ নেন। এসময় জামায়াত কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের তিনজন নারী কর্মী আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, তার দুই ভাই ফয়সাল আহম্মেদ ও তাহজিবসহ সাত থেকে আটজন নারী কর্মীদের নিয়ে প্রচারণা শুরু করলে জামায়াতের কর্মীরা তাদের এলাকা ছাড়তে হুমকি দেন। পরে মোবাইল ফোনে লোকজন ডেকে এনে সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এরপর খবর পেয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
কামাল উদ্দিন তার বক্তব্যে আরও জানান, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতেই পরিকল্পিতভাবে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য হুমকি।
এদিকে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ বলেন, ‘যদি আমাদের কোনো কর্মী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





