বিল অ্যাকম্যান জানান, কয়েক বছর আগে ওয়ারেন বাফেট তার বাড়িতে নৈশভোজে এলে তিনি তাকে সাধারণ পানি বা স্পার্কলিং পানি পানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে বাফেট তা বিনয়ের সঙ্গে ফিরিয়ে দিয়ে সোডা পানের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পডকাস্টে বাফেটের বক্তব্য উদ্ধৃত করে অ্যাকম্যান বলেন, ‘বিল, আমি ৪৮ বছর ধরে পানি খাই না।’
দীর্ঘ ৬০ বছর বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর সম্প্রতি অবসর নেওয়া ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি ক্যান কোকা-কোলা পান করার জন্য পরিচিত। ২০১৫ সালে ফরচুন সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাফেট বলেছিলেন, তিনি চার ভাগের এক ভাগ কোকা-কোলা। তার দৈনিক ২,৭০০ ক্যালোরি খাবারের প্রায় ২৫ শতাংশ আসে এই মিষ্টি পানীয় থেকে।
কোকা-কোলায় অভ্যস্ত হওয়ার আগে বাফেট প্রায় ৫০ বছর ধরে পেপসি পান করতেন। সে সময় তার ছেলে হাওয়ার্ড রসিকতা করে তাকে ‘পেপসি ওয়ারেন’ বলে ডাকতেন। তবে ১৯৮৬ সালে নিজের প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পেপসি ছেড়ে চেরি কোককে প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল পানীয় হিসেবে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাফেটের প্রতিষ্ঠান বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে কোকা-কোলার প্রায় ৯ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয়, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।
চেরি কোক ছাড়াও ফাস্টফুড ও মিষ্টিজাতীয় খাবার অত্যন্ত পছন্দ করেন ওয়ারেন বাফেট। তার প্রাতরাশে নিয়মিত থাকে ম্যাকডোনাল্ডসের খাবার, হটডগ, পপকর্ন ও আইসক্রিম। ১৯৯৫ সালে চীন সফরের সময় বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস বাফেটের জন্য বিশেষ বার্গারের ব্যবস্থা করেছিলেন এবং গ্রেট ওয়ালে চেরি কোকের আয়োজন রেখেছিলেন।





 in front of a market chart and US dollar-320x167.webp)