ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স ট্রেডে ১২ জন ও ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ট্রেডে ১ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করতে পারেনি। এমন ফলের পর ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আমি চলতি বছরের মে মাসে এখানে যোগদান করেছি। যোগদানের এক মাস পরই পরীক্ষা শুরু হয়। ফল বিপর্যয়ের পেছনে মূল সমস্যা ছিল শিক্ষক সংকট। আমাদের শিক্ষক পদ ৪৬টি থাকলেও কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৭ জন।’
এছাড়া এবারো বোদা পাইলট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ জন ও তেঁতুলিয়ার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন কলেজ থেকে ২ জন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করতে পারেনি।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানে কেউ পাশ করতে পারেনি তার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। কোনো গাফিলতি পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’




 in front of a market chart and US dollar-320x167.webp)
