সিডনির কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে নির্মাণ করা হয়েছে ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দর। বর্তমানে অঞ্চলটির প্রধান ও একমাত্র আন্তর্জাতিক কিংসফোর্ড স্মিথ বিমানবন্দরে রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল করলেও নতুন এই বিমানবন্দরে থাকছে না কোন বিধিনিষেধ। গভীর রাত কিংবা ভোরেও নিরবচ্ছিন্নভাবে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারবে এই বিমানবন্দরে।
শুধু বিমান চলাচলই নয় অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকছে টার্মিনালেও। প্রথম দফায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রানওয়ে ও সমন্বিত একটি টার্মিনাল নিয়ে যাত্রা শুরু করছে বিমানবন্দরটি। বছরে এক কোটি যাত্রী সামলানোর সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তী ধাপে দ্বিতীয় রানওয়ে ও টার্মিনাল সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৮ কোটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। বিমানবন্দরটির বড় প্রযুক্তিগত চমক, ডিজিটাল রিমোট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে উড়োজাহাজ চলাচল।
বিমানবন্দরটি থেকে শুরুতে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে বাজেট ক্যারিয়ার জেটস্টার। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, এয়ার নিউজিল্যান্ড ও ভিয়েতজেট আন্তর্জাতিক রুটে কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছে। ২০২৭ সাল নাগাদ এখান থেকে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করবে কোয়ান্টাস ও কাতার এয়ারওয়েজ।
নতুন এই বিমানবন্দর নির্মাণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের খরচ হয়েছে ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা।





