দিনের শেষভাগে এলোমেলো বাংলাদেশ। তবু ব্যাটে কিংবা বলে, দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে আবুধাবি টেস্টের লাগাম নিজেদের হাতে রেখেছে টাইগাররা।
আগের দিন সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল আফগানরা। তবে তৃতীয় দিন সকালেই বিপাকে পড়ে তারা। দিনের দ্বিতীয় ওভারেই নতুন বল নিয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের পেসাররা। শুরুটা করেন এবাদত। সেট ব্যাটসম্যান ইকরাম আলিখিলকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরত পাঠান তিনি।
এরপর উইকেটের উৎসবে মাতেন হাসান মাহমুদ। পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে গুঁড়িয়ে দেন আফগানদের ব্যাটিং লাইনআপ। দেশের প্রথম পেসার হিসেবে হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি ফাইফারও তুলে নেন সাদা পোশাকে অবধারিত নাম হয়ে ওঠা হাসান।
দিনের শুরুর মত শেষটাও করেন এবাদত। দুই পেসারের তান্ডবে তৃতীয় দিন সকালে আফগানিস্তান স্কোরবোর্ডে যোগ করতে পারে মোটে ২৯ রান, হারিয়ে ফেলে সবক'টি উইকেট। একপ্রান্তে রহমাত শাহর অধিনায়কোচিত ১০৫ রানের অনবদ্য ইনিংসটাও আড়ালে পড়ে যায় টাইগার পেসারদের কল্যাণে।
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড নিলেও, দ্বিতীয় ইনিংসের সূচনা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। সাদমান-মুমিনুল ফেরেন দ্রুতই। ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট চালালেও ৩১ রান করে আউট হন তানজিদ তামিম।
৫৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের আভাস মিললেও, উদ্ধারকর্তা হয়ে আসেন নাজমুল শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটারের জুটিতে বাংলাদেশ পায় ১৫৯ রান। তাতে লিড ছাড়ায় ৩০০।
তবে দিনের শেষভাগে উইকেট বিলিয়ে দেন মুশফিকুর রহিম। তাতে হাতছাড়া করেন ক্যারিয়ারের ১৫তম সেঞ্চুরিটাও।
শেষবেলায় আউট হন শান্তও। সেঞ্চুরি থেকে ১৮ রান দূরে থাকতে বিদায় নেন তিনি। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা হাসান মাহমুদও টেকেননি বেশিক্ষণ। ১২ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিছুটা অস্বস্তি নিয়েই দিন শেষ করেছে টাইগাররা।





