গোর্খা জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র জানান, পানির তোড়ে প্রায় এক ডজন বাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। এছাড়া একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্ম রাজ উপ্রেতি জানান, গোর্খার সঙ্গে পাশের ধাদিং জেলাকে যুক্ত করা একটি মহাসড়ক সেতুও বানের জলে ভেসে গেছে।
তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ১৮ জন কর্মী নিরাপদে সরে যেতে সক্ষম হয়েছেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, জগৎ এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা ছয়জনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
গত আগস্টে নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং নিখোঁজ হন আরও হাজারো মানুষ। সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আগেই দেশটিতে নতুন করে এ বন্যা দেখা দিল। সরকারি হিসাবে, সাম্প্রতিক দুর্যোগে অবকাঠামো পুনর্গঠনে প্রায় ৪৭৭ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হবে।





