যন্তর মন্তরে যেতে পুলিশের কড়াকড়ি; যেখানে বাধা সেখানেই অবস্থানের ডাক সিজেপির

শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে
শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে | ছবি: বিবিসি
0

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলেছে পুলিশ। এলাকাটিতে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। তবে পুলিশের কঠোর বাধার মুখেও আন্দোলনকারীদের যেখানে আটকানো হবে সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

আজ (শনিবার, ১০ অক্টোবর) সকাল থেকেই যন্তর মন্তরগামী সব প্রধান সড়কে ধাতব ব্যারিকেড বসিয়ে ঘিরে ফেলে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। কর্মসূচি চলাকালে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজ যন্তর মন্তরের অদূরে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে বাসে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন নারী আন্দোলনকারীকেও আটক করা হয়। এর আগে শিক্ষার্থী ও অধিকারকর্মী নেহা বোরাকে আটক করে পুলিশ। আটকাধীন অবস্থা থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে নেহা লেখেন, ‘আমি আটক হলেও আন্দোলন থেমে নেই। পৌঁছাতে পারলে আসুন। আর যেখানেই আটকানো হবে, সেখানেই বসে পড়ুন।’

একই ধরনের বার্তা দিয়ে সিজেপির নতুন মনোনীত নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘দিল্লি পুলিশ যদি আপনাদের থামানোর চেষ্টা করে, তবে যেখানেই আটকাবে সেটাই আপনাদের যন্তর মন্তর হয়ে উঠবে।’

আরও পড়ুন:

নিরাপত্তা কড়াকড়ির কারণে নয়াদিল্লির ব্যস্ততম জনপথ বাজার প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। লকডাউনের মতো পরিস্থিতিতে সেখানে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশেও বাধা দেয়া হয়। অন্যদিকে নয়াদিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে বেশ কিছু ট্রেনের যাত্রা বাতিল এবং ইন্টারনেট সেবা সীমিত করায় বিপাকে পড়েন কয়েক শ যাত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভের অনুমতি দেরিতে চাওয়া হয়েছিল এবং এই সমাবেশ সম্পূর্ণ বেআইনি।

এদিকে এ বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র ও সংসদ সদস্য সম্বিত পাত্র সাংবাদিকদের বলেন, কতিপয় নৈরাজ্যবাদী শক্তি ভারতকে জিম্মি করার চেষ্টা করেছিল। যন্তর মন্তরে যা ঘটছে তা ভারতের আসল চিত্র নয়। সুশাসনের মধ্য দিয়ে দেশ শান্ত রয়েছে। নৈরাজ্যবাদীদের কর্মসূচি পুরোপুরি ভেস্তে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এএম