গত ৪ দিন আগে ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ে ভোলা থেকে ১২ বছরের নাতি সাব্বিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুগদা হাসপাতালে এসেছেন মরিয়ম বেগম। শুরুতে বেড না পেয়ে বাধ্য হয়ে মেঝেতেই চিকিৎসা নেন তারা। যদিও পরে বেডের ব্যবস্থা করা হয়।
মরিয়ম বেগম বলেন, ‘জ্বর হয়েছিলো, তারপর কাশি। সরকারি বড় ডাক্তার দিযয়ে পরীক্ষা করানো হয়েছে। সেখান থেকে ওষুধ দেয়ার পর তা খাওয়া হয়েছে। এরপরে ঢাকা আনা হয়েছে। এখন একদম অসুস্থ।’
একই পরিস্থিতির শিকার ৫ দিন ধরে হাসপাতালের ভর্তি থাকা ৭ বছরের মেয়ে নূর ও তার মায়ের। সরকারি হাসপাতালে আসলেও ৫ দিনে খরচ ১০ হাজার টাকার বেশী।
অন্যদিকে ডেঙ্গুর আতঙ্ক ভর করেছে যাত্রাবাড়ি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা বেলালের চোখে মুখে। কারণ আশপাশের অনেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এখন আতংক নিয়েই হাসপাতালে দিন কাটছে বেলালসহ অনেকেরই।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু সংক্রমণ কিছুটা বাড়লেও নভেম্বর থেকে এই সংক্রমণ কমে আসতে পারে। তবে ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমে আসতে পারে।
মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা: মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম বলেন, ‘আশা করা যায় যে বৃষ্টি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে, বা শীতের তো আগমন বার্তা শোনা যাচ্ছে, শীত শুরু হয়ে গেলে এটা মানে কমতে শুরু করবে। সে বিষয়ে আশা করা যাচ্ছে। গত দুই-তিন বছরের পরিসংখ্যান যদি আমরা দেখি, তাহলে সেই পরিসংখ্যানে এটাই বলে যে, বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেলে আর শীত শুরু হলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে থাকে।’
চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারা দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৫১ জন। তার মধ্যে মারা গেছেন ২৯৫ জন।





