দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে ক্রেতাদের ‘অস্বস্তি’ কাটেনি

নিত্যপণ্যের বাজার
নিত্যপণ্যের বাজার | ছবি: এখন টিভি
0

সপ্তাহ ঘুরে আরেক শুক্রবার, তবুও নিত্যপণ্যের বাজারের চিত্র রয়ে গেছে প্রায় একই। দেশের বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম বেড়েছে, মাংসের দামেও ক্রেতাদের দীর্ঘশ্বাস। এদিকে সরবরাহ বাড়লেও মাছের দাম কমার নাম নেই। তাইতো নিত্যপণ্যের বাজারের এমন চিত্রে ক্রেতাদের অস্বস্তি এখনো কাটেনি।

আজ (শুক্রবার, ৯ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ভোর থেকেই বাজারে ক্রেতার ভিড়। তবে মাছ, মাংস কিংবা সবজি—কোনোটিতেই যেন স্বস্তি নেই। কোথাও সরবরাহ কম, কোথাও পরিবহন ব্যয় আর উৎপাদন খরচের অজুহাতে বাড়তি দাম। সব মিলিয়ে বাজার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

টাঙ্গাইলে সপ্তাহ ব্যবধানে ধনিয়াপাতা, করলা, লাউ ও শসার দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। তবে কমেছে কাঁচা মরিচ, বেগুন, শিম, টমেটো ও ফুলকপির দাম।

আরও পড়ুন:

কিশোরগঞ্জে মাছের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া পূজা উপলক্ষে চাহিদা বেশি থাকায় দামও বাড়তি বলছেন বিক্রেতারা। সামনে দাম কিছুটা কমবে বলে আশা তাদের।

চট্টগ্রামে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় বাজারে নেই ইলিশ। সামুদ্রিক মাছের সরবরাহও না থাকায় মিঠা পানির মাছের দামও বেশি। অন্যদিকে বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। পটল, ঝিঙা, কাকরোল ও কচুর মুখী বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। তবে বরবটি, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও টমেটোর দাম ৮০ টাকা।

ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে সবজির দাম বাড়তি, মাংসের বাজারেও স্বস্তি নেই। খাবার দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয়ের চাপে সব ধরনের মুরগির দরই ঊর্ধ্বমুখী, বলছেন বিক্রেতারা।

এসএইচ