ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন— নাটোরের লালপুর উপজেলার মহরকয়া গ্রামের মৃত সাজদার আলীর ছেলে ও বর্তমান ঠিকানার মূল অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী বৃষ্টি খাতুন এবং মুক্তি খাতুন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী জামিরুল ইসলাম রাজশাহী জেলার রাঘা থানার চণ্ডিপুর এলাকার মৃত সাফাত প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম, বৃষ্টি খাতুন ও মুক্তি খাতুনের পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে জামিরুল ইসলাম সিরাজুল ইসলামের ভাড়া বাসায় গেলে সু-কৌশলে এক নারীর সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
টাকা দিতে অস্বীকার করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জামিরুলের স্ত্রী আসমা তার বন্ধুদের সহযোগিতায় সাত লাখ টাকা আসামিদের প্রদান করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জামিরুল বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করলে ঈশ্বরদী থানার উপ পরিদর্শক রাসেল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।





