পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুরের আগে মন্দিরের পাশে কাজ করতে আসা কিছু ব্যক্তি মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি তারা কারখানা কর্তৃপক্ষকে জনালে ফার্টিলাইজার কতৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দুপুরে পুলিশ এসে মরদেহের সুরহতাল সম্পন্ন করে বিকেলে এটিকে উদ্ধার করে। এখন পর্যন্ত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
আরও পড়ুন:
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘ঘোড়াশাল সার কারখানার উত্তর-পশ্চিম কর্নারের দিকে ঘটনাটি ঘটে। কারথানা কতৃপক্ষের ফোনেই দুপুরে আমরা এখানে আসি। নিহতের দুই হাত, পায়ের আঙ্গুল ও পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি ৩ থেকে ৪ দিন আগের। নিহতের পরিচয় শনাক্তসহ হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’
তিনি আরও জানান, হত্যাকারীরা মরদেহটি গুম করার জন্য নির্জন স্থানে ফেলে যায় বলে ধারণা পুলিশের।





