গেল সপ্তাহে রাতের আঁধারে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওসহ নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। হামলায় সরকার দলীয় লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করেন সালমান মুক্তাদির।
এরপর তার ব্যাংক হিসেব হিসাব তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট। এছাড়া সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুড় নূর ইসলামের চারটি মদের গুদাম শুক্রবার সিলগালা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফুওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেসসহ চারটি বারে অভিযান চালায় এনবিআরসহ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা। জব্দ করা হয় ৮৬৮ লিটার মদ।
পরে এনবিআর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির কর্মকর্তারা দাবি করেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই মাঠে নেমেছেন তারা। কোনো ব্যক্তিকে টার্গেট করে এ অভিযান চালানো হয়নি।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রিজভী আহম্মেদ বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা সংঘ এখানে একদমই মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের মুখ্য বিষয় হচ্ছে, আমাদের কাছে যেসব রিপোর্ট সংরক্ষিত আছে, আমাদের দাপ্তরিক পদ্ধতিতে। এছাড়াও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে আমরা যেসব তথ্য পাই, সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাদের মনে হয়েছে যে, এসব প্রতিষ্ঠানে চোরাচালানকৃত বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা অবৈধ পণ্য থাকতে পারে বা থাকার সম্ভাবনা আছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতেই আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এখানে কোনো ব্যক্তি, সংঘ বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মুখ্য বিষয় একেবারেই নয়।’
তবে অভিযানে কাউকে আটক করা হয়নি। এনবিআরের কর্মকর্তারা জানান, আগামীতে এই ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।





