বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। হামলাকারী ইসলামি উগ্রবাদে দীক্ষিত হয়েছিল। সে উড়োজাহাজের সব আরোহীসহ বিমানটি বিধ্বস্ত করতে চেয়েছিল।’ কো-পাইলট হামলাকারীর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাকে কারও পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল কি না, আমরা তা তদন্ত করে দেখছি। আর যে-ই তাকে পাঠিয়ে থাকুক না কেন, তাকে অত্যন্ত চড়া মূল্য দিতে হবে।’
নেতানিয়াহু কোনো দেশের নাম সুনির্দিষ্টভাবে না বললেও অতীতে তিনি বিভিন্ন ঘটনায় নিয়মিতভাবেই ইরানের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও গত বৃহস্পতিবার এক প্রশ্নের জবাবে জানান, এ ঘটনায় ইরানের সংশ্লিষ্টতার কথা তিনিও শুনেছেন। বিষয়টি সত্যি প্রমাণিত হলে ইরানকে ‘কঠোর আঘাত’ সইতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ইসরাইলি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ওমানের নাগরিক কো-পাইলট উড়োজাহাজের ভারতীয় পাইলটের ওপর হামলা চালান। এ সময় পাইলট যাত্রীদের ককপিটে প্রবেশের সুযোগ করে দিলে যাত্রীরা ভেতরে ঢুকে হামলাকারী কো-পাইলটকে কাবু করেন। পরে উড়োজাহাজটি কোনো ধরনের প্রাণহানি ছাড়াই নিরাপদে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করে।





