বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ আইনজীবী কার্ট ওলসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কার্যক্রমে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দপ্তর (ওডিএনআই), বিচার বিভাগ, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ও এফবিআই যুক্ত ছিল। ওলসেন ও তার সহযোগীদের উদ্দেশ্য ছিল ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমস ও স্মার্টম্যাটিকের প্রযুক্তিতে ভেনেজুয়েলা বা অন্য বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের প্রমাণ হাজির করে নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্তৃত্ব বাড়ানোর পথ তৈরি করা।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালের জুনে পুয়ের্তো রিকোর নির্বাচন কমিশন থেকে একটি ভোটিং মেশিনের ডেটা সংগ্রহ করে ওডিএনআই সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে কোনো জালিয়াতি বা হ্যাকিংয়ের প্রমাণ মেলেনি। এরপর জর্জিয়ার ফুলটন কাউন্টিতে এফবিআই অভিযান চালিয়ে ২০২০ সালের প্রায় ৬৫০ বক্স ব্যালট ও নির্বাচনী নথি জব্দ করে। একই সঙ্গে অ্যারিজোনার ম্যারিকোপা কাউন্টির ২১ লাখ ব্যালটের ছবি ও ভোটার তালিকা পরীক্ষা করা হয়। এমনকি ভেনেজুয়েলায় গিয়ে দেশটির ভোটিং সরঞ্জাম জব্দের পরিকল্পনাও করেছিলেন ওলসেন।
হোয়াইট হাউসের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং তৎকালীন ওডিএনআই প্রধান তুলসি গ্যাবার্ডকে জানানো হয়েছিল যে ভোটিং সিস্টেমে কিছু সাধারণ কারিগরি দুর্বলতা থাকলেও কোনো ভোট পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেনি। প্রমাণ না পেয়ে পরে ওলসেন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তোলেন এবং হোয়াইট হাউস ছাড়েন।
কারচুপির কোনো প্রমাণ না মিললেও আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটিং মেশিন নিয়ে জালিয়াতির বয়ান বজায় রাখার চেষ্টা করছেন ট্রাম্পের সমর্থকেরা। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, কোনো প্রমাণ ছাড়া বারবার নির্বাচন জালিয়াতির ভিত্তিহীন দাবি তোলায় মার্কিন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।




 as it orbits its host star-320x167.webp)
