ঘটনার শুরু নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে। পর্তুগালের ২-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে বেঞ্চেই ছিলেন রোনালদো। ম্যাচের আগে দীর্ঘ সময় ওয়ার্মআপ করলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামাননি কোচ হোর্হে জেসুস। পরে কোচ জানান, শুরুতে রোনালদোকে খেলানোর পরিকল্পনা থাকলেও ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত বদলান তিনি।
এরপর দলের সঙ্গে অনুশীলনেও দেখা যায়নি রোনালদোকে। মঙ্গলবার জিমে সময় কাটিয়েছেন নিজের মতো করে। তবে সেটা চোটের কারণে নয় বলেই জানিয়েছিলো ফেডারেশন।
এর মধ্যেই ডেনমার্ক ম্যাচে রোনালদোকে একাদশে না রাখার কথা জানান জেসুস। এরপরই ক্যাম্প ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন পর্তুগিজ তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদো জানান, জাতীয় দলের সংবাদ সম্মেলনের পর ফেডারেশন সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসার সঙ্গে কথা বলেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কারণ এখনই প্রকাশ করেননি। বলেছেন, সময়মতো দেশের মানুষকে সত্যিটা জানাবেন তিনি।
আরও পড়ুন
রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফেডারেশনও। তবে কোনো কারণ জানায়নি তারাও।
এদিকে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, যথাযথ কারণ ছাড়া জাতীয় দলের কার্যক্রম ছেড়ে গেলে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।
তবে রোনালদোর বিদায়কে ‘অযৌক্তিক’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে কি না, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানায়নি ফেডারেশন।
দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে শীর্ষে থাকা পর্তুগালের জন্য তাই ডেনমার্ক ম্যাচের আগে রোনালদোকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।





