ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা জরুরি। তবে শুধু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে সেখানে ব্যবসার সুযোগ করে দিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফুটপাত দখলের সমস্যার টেকসই ও সমন্বিত সমাধান করতে হবে। যৌক্তিক কর আদায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’
মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশ, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এসময় সিটি করপোরেশনের কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেয়ার খবর পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় সংঘাতের পরিবর্তে সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান জামায়াত আমির। তিনি বলেন, ‘উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার আগে সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথও নির্বিঘ্ন রাখতে হবে।’
মিরপুর এলাকায় দখলদারি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার আগে স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানান। সব পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিচ্ছন্ন, মানবিক ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।





