দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে রঙ ফেরাতে বিসিবির নতুন টুর্নামেন্ট ডমেস্টিক থ্রি, সংক্ষেপে ডি-থ্রি। রাজধানীর একটি হোটেলে জমকালো আয়োজনে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন এই কাঠামোর ঘোষণা করেছে বিসিবি। যেখানে একই ছাতার নিচে আসছে টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে ও চার-দিনের ম্যাচ।
তিন বছরের চুক্তিতে ছয় প্রতিষ্ঠান থাকছে ছয় দলের দায়িত্বে। ছয় মাসের ক্যালেন্ডারে ৩ ফরম্যাট মিলিয়ে একেকটি দল খেলবে ৪২টি করে ম্যাচ। বরিশালের জীবনানন্দ দাশ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যার শুরুটা আগামী ১৫ ডিসেম্বর। জানুয়ারিতে চার দিন এবং মে মাসে শুরু হবে ওয়ানডে টুর্নামেন্ট।
এর আগে বিপিএলের লভ্যাংশের একটি ভাগের দাবি ছিলো ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের। সেটি এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত না হলেও ডি-থ্রিতে প্রতিটি দলকে লভ্যাংশ দেবে বিসিবি। বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আসায় ফিক্সিং নিয়েও কমছে শঙ্কা।
বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘এ টুর্নামেন্টে বিসিবির যা রেভিনিউ হবে, আমরা ৫০ শতাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজি টিম ওনারদের সঙ্গে শেয়ার করব। টিকিটিং রাইটস হোক, যদি টিভি রাইটস হয়, যদি টাইটেল স্পনসরশিপ হয়, গ্রাউন্ড রাইটস হয়। এখান থেকে যা রেভিনিউ আসবে, উই আর গোয়িং টু শেয়ার ৫০-৫০ উইথ দ্য টিম ওনার্স। যে টিমগুলো টিম নিয়েছে আশাকরি ফিন্যানশিয়ালি সমস্যা হওয়ার কথা না।’
এদিকে ডি-থ্রির মাধ্যমে নতুন অনেক মুখ উঠে আসবে বলে আশা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর।
ওয়ালটন গ্রুপ প্রতিনিধি আমিন খান বলেন, ‘অনেক প্লেয়ার আছে যারা জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন না, তারা একটা বিশাল টুর্নামেন্টে অংশ হিসেবে পার্টিসিপেট করতে পারবে এবং আমার মনে হয় যে ক্রিকেটকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে পারবে।’
ফরচুন বরিশালের কর্ণধার মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা দুবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, একবার রানার্সআপ হয়েছি। আমি কিন্তু প্লেয়ার খুঁজে পাই না যখন আমরা ইয়েতে পোডিয়ামে বসি। তখন কিন্তু বরিশালের প্লেয়ার খুঁজে পাই না। প্লেয়ার খোঁজার জন্যই কিন্তু আমরা এই কাজগুলো করছি।’
ডি-থ্রি টুর্নামেন্টের মাধ্যমে দেশে নতুন করে ক্রিকেট উৎসবের প্রত্যাশা বিসিবির।





