আসিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে পুরো খেলাজুড়েই ছিল না কোনো পরিকল্পনার ছাপ। খেলোয়াড়দের শরিরীক ভাষাও ছিল হতাশাজনক।
চলতি বছরের শুরুর দিকে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের কাছে হারলেও লড়াকু মানসিকতা দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। যা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ছিল অনুপস্থিত। লাল-সবুজদের পারফরম্যান্সে রীতিমতো হতাশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার গোলাম সারোয়ার টিপু।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গোলাম সরোয়ার টিপু বলেন, ‘দে আর নট কনফিডেন্ট। প্রথম থেকেই তো তারা তাদেরকে আপার হ্যান্ড দিয়ে দিছে। বল পজেশন এই সেই, তারপরে এই নিজেদের ওন হাফে যে খেলা এতক্ষণ। আর সবচেয়ে বড় জিনিস আমাদের প্লেয়াররা ফ্রন্টাল পাশ দেয়ার লোক খুঁজে পাচ্ছিল না।’
সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচের পর প্রায় ২ মাস কোনো ম্যাচ খেলেননি অধিকাংশ ফুটবলার। যে।কারণে দলের মাঝে ছিল সমন্বয়ের অভাব। সেই সঙ্গে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াকু মানসিকতায়ও ছিল ঘাটতি।
তিনি বলেন, ‘হামজাকে মনে হয়েছে হি ওয়াজ ইনভলভড। সে—সে ম্যাচের ভেতরে ইনভলভড আছে। কিন্তু আর কাউকেই তো মনে হয় নাই যে খেলার ভেতরে ইনভলভড বা কিলিং একটা অ্যাটিটিউড যে থাকতে হয়, সেইটা দ্যাট ওয়াজ টোটালি মিসিং।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরের দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ যথাক্রমে সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া। স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়াকে হারানো কঠিন হলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জয় পাওয়া উচিত বলে বিশ্বাস গোলাম সারোয়ার টিপুর।
তিনি আরও বলেন, ‘যার যে অ্যাবিলিটি আছে, সে অ্যাবিলিটি অনুযায়ী খেললে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে উই শুড উইন। আমাদের জেতা উচিত। জানি না কী হবে রেজাল্ট। ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একটু ডিফিকাল্ট হবে।’
আসিয়ান কাপকে আসন্ন সাফের প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট বলে দাবি করেছেন হেড কোচ থমাস ডুলি। তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ না করলেও এই ম্যাচগুলো বাংলাদেশের আরো গুরুত্ব দেয়া উচিত বলেই মত সাবেক এই ফুটবলারের।





