আজ (শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর) উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। আলাদা এক বিবৃতিতে দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে ‘দ্বিমুখী নীতির’ জন্য অভিযুক্ত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির তৎপরতায় চোখ বন্ধ করে রেখে কেবল উত্তর কোরিয়ার বৈধ ও আত্মরক্ষামূলক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
জাতিসংঘের প্রস্তাব পাসের আলোচনার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার প্রধান প্রধান অস্ত্র ও গোলাবারুদ কারখানা কিম জং উন তিন দিন ধরে পরিদর্শন করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালে রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত চুক্তি করার পর থেকে মস্কোর সহায়তায় উত্তর কোরিয়া তাদের সামরিক বাহিনীকে নতুন করে ঢেলে সাজাচ্ছে।
অন্যদিকে পিয়ংইয়ংয়ের এই অনড় অবস্থানের মধ্যেও দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ফের জোরদারের কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে ওয়াশিংটন ও সিউল। শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মিয়ং জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে চান এবং সিউল এতে মধ্যস্থতা করবে। ট্রাম্পও সম্প্রতি জানান, চলতি বছরের শেষ দিকে তিনি কিম জং উনের সঙ্গে নতুন করে বৈঠকে বসতে চান।





