পুলিশ জানায়, নিহত আজমল হোসেন নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি যে ভবনে থাকতেন, সেখানকার একটি মেসে ভাড়া থাকতেন।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চুরির অভিযোগে একই মেসে থাকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে ভবনের ছাদে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর এবং মাথার চুল কেটে দেয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে আজমলকে মারধরের একপর্যায়ে অভিযুক্তরা ফোন করে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ফোনটি বন্ধ করে দেয়া হয়। খবর পেয়ে রাতে চুয়াডাঙ্গা থেকে পরিবারের সদস্যরা খুলনার উদ্দেশে রওনা দেন এবং ভোরে এসে আজমলকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
হরিণটানা থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘পুলিশ তদন্ত করছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও অন্যান্য তথ্য সামনে এলে আজমলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে চুরির অভিযোগে তাকে ছাদে নিয়ে মারধরের পর লাফিয়ে পড়ে বলে জানা গেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই এলাকায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা থাকেন। নিহত আজমলও নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। তার মৃত্যুর সঙ্গে ছাত্র ও স্থানীয় যুবকরা জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।’




