গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষক ইউলিয়া ঝেস্তকোভা গ্রিগসবি ও দান স্ট্রুইভেন এক গবেষণা প্রতিবেদনে জানান, শোধনাগারগুলো গ্যাসোলিন বাদ দিয়ে বাড়তি পরিমাণে ডিজেল উৎপাদনে জোর দেয়ায় গ্যাসোলিনের বাজারে দ্রুত সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় মজুত কম থাকায় ডিজেলের চেয়ে এখন গ্যাসোলিনের দাম বাড়ার ঝুঁকি বেশি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে চলতি বছর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের দফায় দফায় হামলার ফলে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যে ডিজেলের পাইকারি ও খুচরা মূল্য সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ডে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডিজেলের দাম আরও বাড়ার সুযোগ থাকলেও বর্তমানে বিশ্ববাজারে স্থিতিশীল চাহিদা ও মজুতের পরিবর্তনের কারণে গ্যাসোলিনের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এ জন্য গোল্ডম্যান স্যাকস ইউরোপীয় গ্যাসোলিনের ভবিষ্যৎ চুক্তিতে বেশি নজর দেয়ার সুপারিশ করেছে।
—অয়েলপ্রাইস ডটকম প্রতিবেদনে অবলম্বনে





