ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যাপটি উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে পারাল্যাক্সলজিক ইনফোটেক (Parallaxlogic Infotech - PLX)।
আরও পড়ুন:
‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ কীভাবে কাজ করবে (How Bhumidrishti Geo-Fencing App Works)
ডিজিটাল ভূমি সেবা (Digital Land Services Bangladesh) ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এই অ্যাপের কাজের প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো:
- জিও-ফেন্সিং হাজিরা (Geo-Fencing Digital Attendance): প্রতিটি ভূমি অফিসের জন্য একটি ভার্চুয়াল ভৌগোলিক সীমানা (Location Boundary) নির্ধারণ করা থাকবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেবল ওই নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে অবস্থান করলেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা বা ‘চেক-ইন’ দিতে পারবেন।
- ফেক লোকেশন প্রতিরোধ (Fake Location Alert System): অফিসের সীমানার বাইরে থেকে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। কেউ যদি ভুয়া অবস্থান বা ‘ফেক লোকেশন’ ব্যবহার করে হাজিরার চেষ্টা করে, তবে কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে (Central Dashboard Monitoring) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা বা রেড অ্যালার্ট চলে যাবে।
- সাইট ভিজিট ও অনলাইন ছুটি (Site Visit and Online Leave Request): দাপ্তরিক তদন্ত, সরকারি কাজ বা মাঠপরিদর্শনের প্রয়োজনে অফিসের বাইরে গেলে অ্যাপটির ‘Site Visit’ ফিচার ব্যবহার করে কারণ উল্লেখ করা যাবে। এছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অ্যাপের মাধ্যমে ছুটির আবেদন করতে পারবেন এবং ছুটির হিসাবও এতে সংরক্ষিত থাকবে।
আরও পড়ুন:
প্রথম ধাপে ৬ জেলার ৬১০ কার্যালয়ে পাইলটিং (Bhumidrishti App Pilot Project Districts)
প্রাথমিক অবস্থায় দেশের ৬টি জেলায় ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে:
- আওতাভুক্ত জেলাসমূহ: ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম।
- অফিস ও জনবল: প্রথম ধাপে ৬১০টি ভূমি কার্যালয়ের ৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এই প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হয়েছে।
- পরবর্তী পরিকল্পনা: পাইলট প্রকল্প সফল হলে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা (AC Land Office) ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অ্যাপটি সম্প্রসারণ করা হবে।
মন্ত্রণালয় আশা করছে, এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ফলে কর্মঘণ্টার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং সাধারণ নাগরিকেরা দ্রুত ও ভোগান্তিমুক্ত ভূমি সেবা পাবেন।
আরও পড়ুন:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন অ্যাপ ‘ভূমিদৃষ্টি’ কী: জেনে নিন ডিজিটাল হাজিরার নিয়ম ও সুবিধা
একনজরে: জিও-ফেন্সিং প্রযুক্তিনির্ভর হাজিরা, ফেক লোকেশন অ্যালার্ট, সাইট ভিজিট ও পাইলট প্রকল্পের বিস্তারিত
ফিচার / মূল ক্ষেত্র
‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপের কার্যপদ্ধতি
সুবিধা ও প্রশাসনের সুফল
ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি
জিও-ফেন্সিং (Geo-Fencing) প্রযুক্তিতে অফিসের নির্ধারিত সীমানায় চেক-ইন
মাঠপর্যায়ের ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত হবে।
সিকিউরিটি ও অ্যালার্ট
ফেক লোকেশন (Fake Location) বা সীমানার বাইরে থাকলে স্বয়ংক্রিয় অ্যালার্ট
ভুয়া উপস্থিতি রোধ করা যাবে এবং কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে তাৎক্ষণিক তদারকি সম্ভব হবে।
সাইট ভিজিট ও ছুটি
দাপ্তরিক কাজে বাইরে গেলে ‘Site Visit’ ও অনলাইন ছুটির আবেদন
তদন্ত বা সরকারি কাজে বাইরে যাওয়ার কারণ ও ছুটির ডিজিটাল হিসাব স্বচ্ছ থাকবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতা
৬ জেলার (ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী, চট্টগ্রাম) ৬১০ কার্যালয়
৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে শুরু; সফল হলে সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
কারিগরি সহযোগী
পারাল্যাক্সলজিক ইনফোটেক (PLX)
ভূমিসেবা কার্যক্রমে গতিশীলতা ও জনগণের জন্য সহজ সেবা নিশ্চিত করবে।
আরও পড়ুন :





